ADS
হেডলাইন
◈ করোনা টিকা উৎপাদনে অন্য দেশগুলোকে সহায়তার আহ্বান ◈ রোজা রাখলেন ওয়ার্নার-উইলিয়ামসন ◈ ১২ জুন থেকে চুয়েট-কুয়েট-রুয়েটের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা শুরু ◈ আইনজীবী মুক্তির সঙ্গে পুলিশের আচরণ অসৌজন্যমূলক: ঢাকা আইনজীবী সমিতি ◈ একদিনের রিমান্ডে অভিনেত্রী রোমানা স্বর্ণা ◈ মিস ইউনিভার্স হওয়ার স্বপ্নভঙ্গ মিথিলার ◈ বাংলাদেশে করোনা টিকা উৎপাদনের প্রস্তাব রাশিয়ার ◈ হেফাজত নেতা কোরবান আলী কাসেমী গ্রেফতার ◈ মনমোহনের পর এবার করোনায় আক্রান্ত রাহুল গান্ধী ◈ সীমিত পরিসরেই চলবে ব্যাংক, পুঁজিবাজার ও বিমা অফিস ◈ করোনায় আরও ৯১ জনের প্রাণহানি ◈ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট দল ঘোষণা ◈ ৬ নিয়ম মানলেই রমজানে পানি পিপাসা কম লাগবে ◈ দেশে ই-স্টোর চালু করবে ভিভো ◈ টিকা নিয়েও করোনা আক্রান্ত জিৎ ◈ ইফতারে পাওয়ার ড্রিংক পুদিনার শরবত ◈ বিব্রতকর সমস্যা ব্রণ ◈ ৭৬ বছরে আবুল হায়াতের করোনা জয় ◈ সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ল বিমানের বিশেষ ফ্লাইট ◈ ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত কঠোর লকডাউনের প্রজ্ঞাপন জারি
হোম / আইন-আদালত / বিস্তারিত
ADS

২৬ বছর পর কাশেম হত্যার রায়: একজনের প্রাণদণ্ড

২৯ মার্চ ২০২১, ২:৩৬:২৫

খুলনা মহানগর জাতীয় পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং শিল্প ও বণিক সমিতির সাবেক সভাপতি শেখ আবুল কাশেম হত্যা মামলায় ২৬ বছর পর তারেক নামে এক আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় খুলনা জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. সাইফুজ্জামান হিরো এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আসামি তারেক আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

এ হত্যা মামলায় খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- তরিকুল হুদা টপি, আব্দুল গফফার বিশ্বাস, ওসিকুর রহমান, মুশফিকুর রহমান, মফিজুর রহমান ও মিল্টন।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এড. আরিফ মাহমুদ লিটন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৫ সালের ২৫ এপ্রিল দুপুর পৌনে ২ টার দিকে শেখ আবুল কাশেম তার ব্যক্তিগত গাড়ি, (যার নং ০৩-৪৩৭৩) করে নগরীর স্যার ইকবাল রোডের পিকচার প্যালেস মোড় বেসিক ব্যাংকের ম্যানেজারের সঙ্গে দেখা করতে যান।

সাক্ষাৎ শেষে বাড়ির উদ্দেশে পুনরায় গাড়িতে উঠে বসেন। এ সময় ৫ থেকে ৬ জন অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসী প্রথমে তার ড্রাইভার মিকাইল হোসেনকে গুলি করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

পরে গাড়ির পেছনের গ্লাস ভেঙে কাটা রাইফেল দিয়ে শেখ আবুল কাশেমকে গুলি করে হত্যা করা হয়। মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে সন্ত্রাসীরা এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে ছুড়তে পিকচার প্যালেস মোড় দিকে বীরদর্পে হেটে যায়।

ওই ঘটনার পর নিহতের পরিবারের লোকজন এসে তাকে গরিব নেওয়াজ ক্লিনিকে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বেশ কিছুক্ষণ পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরে ওই ঘটনায় নিহতের ভাইয়ের জামাই মো. আলমঙ্গীর হোসেন খুলনা থানায় মামলা করেন, যার নং ৩৫।

মামলাটি প্রথমে খুলনা থানায় করা হলেও পরে এটি তদন্ত করে সিআইডি। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এ মামলায় ১০ জনকে আসামি করে ১৯৯৬ সালের ৫ মে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

মামলার বিচারাধীন সময়ে দুজন আসামির মৃত্যু হয়। তারা হলেন- সৈয়দ মনিরুল ইসলাম ও খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ২৫ নং ওয়ার্ডের সাবেক ডেপুটি মেয়র ইকতিয়ার উদ্দিন বাবলু। তিনিও সন্ত্রাসীর গুলিতে বানরগাতি এলাকায় নিহত হন।

১৯৭০ সালে শেখ আবুল কাশেমের বড় ভাই শেখ আবুল খায়ের দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে নিহত হন।

ADS ADS

প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Comments: