ADS
হেডলাইন
◈ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এখন প্রতিষ্ঠা পেয়েছে: প্রধানমন্ত্রী ◈ ইসরায়েলকে ৭৩ কোটি ডলার মূল্যের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ◈ রিমান্ডে রাজি হলেও আদালতে ভোল পাল্টালেন বাবুল ◈ আগামী ৭ দিন পর লকডাউনের ব্যাপারে নতুন সিদ্ধান্ত ◈ ‘আওয়ামী লীগকে মায়ের স্নেহে চারবার রাষ্ট্রক্ষমতায় নিয়েছেন শেখ হাসিনা’ ◈ ব্যাংক কোম্পানি আইনে জরিমানার সঙ্গে ফৌজদারি মামলার বিধান আসছে ◈ বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্যরা পাবেন এসএসএফের নিরাপত্তা ◈ বাংলাদেশে করোনার চারটি ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে ◈ আইপিএল বন্ধের পর বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস ◈ কোয়ারেন্টাইনে ধর্ষণ: গ্রেপ্তারের পর বরখাস্ত পুলিশ কর্মকর্তা ◈ বাংলাদেশ এগিয়ে যাবেই : প্রধানমন্ত্রী ◈ যে কারণে মৃত ব্যক্তির গোসলের পানিতে বরই পাতা দেয়া হয় ◈ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে বরবটির সালাদ খান ◈ ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল এডিট করবেন যেভাবে ◈ মাছের মাথা দিয়ে সুস্বাদু মুড়িঘণ্ট ◈ রুক্ষ চুল সতেজ করতে কফি ◈ নোবেলের বিরুদ্ধে জিডি ◈ ঢাকাসহ সারাদেশে কালবৈশাখীর পূর্বাভাস ◈ পশ্চিমবঙ্গের ৪ মন্ত্রী গ্রেফতার, আদালতের কড়া প্রশ্নের মুখে সিবিআই ◈ শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন দেওয়ার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে
হোম / আইন-আদালত / বিস্তারিত
ADS

২৬ বছর পর কাশেম হত্যার রায়: একজনের প্রাণদণ্ড

২৯ মার্চ ২০২১, ২:৩৬:২৫

খুলনা মহানগর জাতীয় পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং শিল্প ও বণিক সমিতির সাবেক সভাপতি শেখ আবুল কাশেম হত্যা মামলায় ২৬ বছর পর তারেক নামে এক আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় খুলনা জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. সাইফুজ্জামান হিরো এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আসামি তারেক আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

এ হত্যা মামলায় খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- তরিকুল হুদা টপি, আব্দুল গফফার বিশ্বাস, ওসিকুর রহমান, মুশফিকুর রহমান, মফিজুর রহমান ও মিল্টন।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এড. আরিফ মাহমুদ লিটন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৫ সালের ২৫ এপ্রিল দুপুর পৌনে ২ টার দিকে শেখ আবুল কাশেম তার ব্যক্তিগত গাড়ি, (যার নং ০৩-৪৩৭৩) করে নগরীর স্যার ইকবাল রোডের পিকচার প্যালেস মোড় বেসিক ব্যাংকের ম্যানেজারের সঙ্গে দেখা করতে যান।

সাক্ষাৎ শেষে বাড়ির উদ্দেশে পুনরায় গাড়িতে উঠে বসেন। এ সময় ৫ থেকে ৬ জন অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসী প্রথমে তার ড্রাইভার মিকাইল হোসেনকে গুলি করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

পরে গাড়ির পেছনের গ্লাস ভেঙে কাটা রাইফেল দিয়ে শেখ আবুল কাশেমকে গুলি করে হত্যা করা হয়। মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে সন্ত্রাসীরা এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে ছুড়তে পিকচার প্যালেস মোড় দিকে বীরদর্পে হেটে যায়।

ওই ঘটনার পর নিহতের পরিবারের লোকজন এসে তাকে গরিব নেওয়াজ ক্লিনিকে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বেশ কিছুক্ষণ পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরে ওই ঘটনায় নিহতের ভাইয়ের জামাই মো. আলমঙ্গীর হোসেন খুলনা থানায় মামলা করেন, যার নং ৩৫।

মামলাটি প্রথমে খুলনা থানায় করা হলেও পরে এটি তদন্ত করে সিআইডি। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এ মামলায় ১০ জনকে আসামি করে ১৯৯৬ সালের ৫ মে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

মামলার বিচারাধীন সময়ে দুজন আসামির মৃত্যু হয়। তারা হলেন- সৈয়দ মনিরুল ইসলাম ও খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ২৫ নং ওয়ার্ডের সাবেক ডেপুটি মেয়র ইকতিয়ার উদ্দিন বাবলু। তিনিও সন্ত্রাসীর গুলিতে বানরগাতি এলাকায় নিহত হন।

১৯৭০ সালে শেখ আবুল কাশেমের বড় ভাই শেখ আবুল খায়ের দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে নিহত হন।

ADS ADS

প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Comments: