ADS
হেডলাইন
◈ ঢালাওভাবে বিদেশি পরামর্শক নিয়োগ নয়: প্রধানমন্ত্রী ◈ সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জাতীয় পার্টির ◈ ভুল স্বীকার করলেন নোবেল ◈ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, ৩৩ বাংলাদেশি উদ্ধার ◈ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংবাদ ব্রিফিং বর্জনের ঘোষণা ◈ নথিগুলো প্রকাশ পেলে দেশের ক্ষতি হয়ে যেত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ জুনে স্কুল-কলেজ খুলতে চায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় ◈ রোজিনা বৃহস্পতিবার জামিন পাবেন, আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ◈ বাংলা একাডেমির সভাপতি হলেন অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম ◈ মুক্তির দিনেই ইতিহাস গড়েছে সালমানের ‘রাধে’ ◈ বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা চূড়ান্ত সময়সূচি ◈ নেত্রকোনায় বজ্রপাতে সাতজনের মৃত্যু ◈ এবার রেড ক্রিসেন্ট ভবনে ইসরাইলি বিমান হামলা ◈ কাশিমপুর কারাগারে সাংবাদিক রোজিনা ◈ বিসিবির সম্প্রচার স্বত্ব কিনল বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান ◈ সিলেটে ছুরিকাঘাতে চীনা নাগরিক নিহত ◈ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত ◈ রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি ◈ করোনায় আরও ৩০ মৃত্যু, শনাক্ত ১২৭২ ◈ করোনার বছরেও শীর্ষ রেমিট্যান্স আহরণকারী দেশের তালিকায় বাংলাদেশ
হোম / তথ্য-প্রযুক্তি / বিস্তারিত
ADS

নাসার পরবর্তী ‘মুন মিশনে’ চাঁদে নামার অবতরণযান তৈরি করবে স্পেসএক্স

১৮ এপ্রিল ২০২১, ৪:৩৯:১৩

মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা তাদের আগামী চন্দ্রাভিযানের সময় যে অবতরণযানটি মানুষ নিয়ে চাঁদের বুকে নামবে – তা নির্মাণ করার দায়িত্ব দিয়েছে স্পেসএক্স-কে। স্পেসএক্স হচ্ছে ধনকুবের ব্যবসায়ী ইলন মাস্কের রকেট নির্মাতা কম্পানি।

এ দশকের শেষ দিকে আর্টেমিস নামে এক অভিযানের অংশ হিসেবে চাঁদে মানুষ পাঠাবে নাসা। এতে নভোচারীদের মধ্যে একজন নারীও থাকবেন যিনি হবেন চাঁদের বুকে অবতরণকারী প্রথম নারী। ওই অভিযানের আরো একটি লক্ষ্য হচ্ছে চাঁদে অবতরণকারীদের মধ্যে একজন অশ্বেতাঙ্গ নভোচারী রাখা।

স্পেস এক্স যে চন্দ্রযানটি তৈরি করবে তা তাদের ‘স্টারশিপ’ নামের মহাকাশযানের ডিজাইনের ওপর ভিত্তি করেই তৈরি হবে। এই স্টারশিপ এখন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। নাসার সঙ্গে স্পেসএক্সের এই চুক্তির মোট মূল্য হচ্ছে ২৮৯ কোটি ডলার।

এই চন্দ্রযানে কি থাকবে?

ইলন মাস্কের কম্পানি বহুদিন ধরেই স্টারশিপ নামের মহাকাশগামী রকেট-যান তৈরির কর্মসূচি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। কল্পবিজ্ঞান কাহিনিগুলোতে যে ধরনের গ্রহ থেকে গ্রহান্তরে ঘুরে বেড়ানো মহাকাশযানের কথা বলা হয় – সেই ভাবনা থেকেই এই স্টারশিপ তৈরি হচ্ছে। এর দীর্ঘমেয়াদি উদ্দেশ্য মঙ্গলগ্রহে মানুষের আবাস প্রতিষ্ঠা। তবে নাসার জন্য যে চন্দ্রযানটি স্পেসএক্স তৈরি করবে তার কাজ হবে ভিন্ন ধরনের।

এ যানটি মূলত চাঁদের কক্ষপথে থাকা মূল মহাকাশযান থেকে নভোচারীদের চাঁদের মাটিতে নামানো এবং সেখান থেকে আবার মূল যানে ফিরিয়ে নিয়ে যাবার কাজটি করবে। এতে থাকবে একটি কেবিন – আর দুটি ‘এয়ার লক’, যার মাধ্যমে নভোচারীরা চাঁদের মাটিতে হাঁটাচলার জন্য বেরুতে পারবেন। এর নাম হবে এইচএলএস – বা হিউম্যান ল্যান্ডিং সিস্টেম।

১৯৬০ ও ৭০ দশকে যেসব ‘লুনার মডিউল’ দিয়ে নভোচারীরা চাঁদের বুকে নেমেছিলেন – তার চাইতে এই এইচএলএস হবে অনেক উন্নত মানের। লুনার মডিউল ছিল আকারে অনেক ছোট। তাতে দুজন নভোচারীকে ঠাসাঠাসি করে বসতে হতো। এভাবেই ১৯৬৯ থেকে ১৯৭২ পর্যন্ত মোট ১২ জন নভোচারী চাঁদে নেমেছিলেন।

স্পেসএক্সকে নাসার এই কাজ পাবার জন্য বেশ কয়েকটি কম্পানির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জিততে হয়েছে। এর মধ্যে ছিল আমাজনের মালিক জেফ বেজোসের ব্লু অরিজিন, লকহীড মার্টিন, নরথ্রপ গ্রুম্যান এ্যান্ড ড্রেপার, এবং ডাইনেটিক্স।

স্পেসএক্স-এর বাণিজ্যিক উপগ্রহ এবং আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন সংক্রান্ত বেশ কিছু উদ্যোগ সম্প্রতি বিপুলভাবে সফল হয়েছে। তবে তাদের স্টারশিপ মহাকাশযানের কিছু মনুষ্যবিহীন প্রোটোটাইপ উড্ডয়নের পর অবতরণ করতে গিয়ে বিস্ফোরণ ঘটে ধ্বংস হয়ে গেছে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা।

ADS ADS

প্রতিছবি ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Comments: